প্রতিষ্ঠার গল্প — BRAC বাংলা তথ্য
যুদ্ধপরবর্তী বাংলাদেশে BRAC-এর সূচনা
যুদ্ধপরবর্তী বাংলাদেশ
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষ ঘরবাড়ি, পরিবার ও জীবিকা হারিয়েছিল। লাখ লাখ শরণার্থী ভারতে ছিলেন এবং তারা দেশে ফিরছিলেন। এই সংকটকালে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ছিল স্যার ফজলে হাসান আবেদের প্রথম উদ্যোগের কারণ।
ত্রাণ সহায়তা থেকে স্থায়ী সংগঠন
প্রথমে এটি ছিল একটি জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম — যুদ্ধে বিধ্বস্ত মানুষকে আশ্রয়, খাবার ও পুনর্বাসনে সহায়তা। কিন্তু ফজলে হাসান আবেদ বুঝতে পেরেছিলেন যে, কেবল ত্রাণ দিলে মানুষের জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আসবে না। তাই ধীরে ধীরে এটি একটি স্থায়ী উন্নয়ন সংস্থায় রূপ নেয়, যা মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখায়।
নামের শুরু
প্রথম দিকে সংস্থার নাম ছিল Bangladesh Rehabilitation Assistance Committee (বাংলাদেশ পুনর্বাসন সহায়তা কমিটি)। পরে এটি Bangladesh Rural Advancement Committee এবং সবশেষে শুধু “BRAC” নামে পরিচিত হয়।
মানুষের উপর ভরসা
BRAC-এর প্রতিষ্ঠার পেছনের মূল ভাবনা ছিল — দরিদ্র মানুষ নিজেরা নিজেদের সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা রাখে, শুধু সুযোগ ও সহায়তা দরকার। এই ভাবনাই পরবর্তী সময়ে BRAC-এর সব কর্মসূচির ভিত্তি হয়ে ওঠে।
সাধারণ প্রশ্ন
BRAC-এর প্রতিষ্ঠার মূল প্রেরণা কী ছিল?
যুদ্ধ-পরবর্তী শরণার্থী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করা।
সূত্র
- BRAC Bangladesh — দেখা হয়েছে 2026-08-14
- UNESCO — BRAC Education Programme — দেখা হয়েছে 2026-08-14